মা আমাকে জোর করে করিয়ে নিলো....
হোটেলের রাত্রি: মা-ছেলের গোপন মিলন
সমীরের বয়স ২৫, আর তার মা রিয়া ৪৫। সমীর একটা বড় কোম্পানিতে চাকরি করে, আর রিয়া একা থাকেন বাড়িতে। বাবা অনেকদিন আগে মারা গেছেন। এবার সমীরের অফিসের কাজে ঢাকার বাইরে যেতে হলো, আর মা রিয়াকে সঙ্গে নিয়ে গেলেন। তারা একটা লাক্সারি হোটেলে উঠলেন, যেখানে একটা ডাবল বেড রুম বুক করা হয়েছে। রাত হয়েছে, বাইরে ঝড়ো হাওয়া বইছে, আর রুমের ভিতরে এসি চলছে।
রিয়া শাড়ি পরে বিছানায় বসে আছেন, তার ফর্সা গায়ে হালকা ঘাম জমেছে। সমীর শাওয়ার নিয়ে এসে টাওয়েল পরে বসলো মায়ের পাশে। "মা, আজকের দিনটা কত ক্লান্তিকর ছিল," বলে সমীর মায়ের কাঁধে হাত রাখলো। রিয়া হাসলেন, "হ্যাঁ বাবু, তুমি বিশ্রাম নাও।" কিন্তু সমীরের চোখে অন্য কিছু ছিল। সে মায়ের গলায় হাত দিয়ে আদর করতে লাগলো, রিয়ার শরীর কেঁপে উঠলো। "কী করছিস বাবু?" রিয়া ফিসফিস করে বললেন।
সমীর মায়ের কানে মুখ নিয়ে বললো, "মা, তোমাকে অনেকদিন থেকে চাই। আজ রাতটা আমাদের।" রিয়া চোখ বন্ধ করে ফেললেন, তার শরীরে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা জাগছে। সমীর মায়ের শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলো, তার ফর্সা পেটটা দেখা গেল। সে আস্তে আস্তে চুমু খেতে লাগলো পেটে, রিয়া শিউরে উঠলেন। "এটা ঠিক না বাবু," বললেন রিয়া, কিন্তু তার হাত সমীরের চুলে বিলি কাটছে।
সমীর উঠে মায়ের ঠোঁটে ঠোঁট লাগালো, একটা গভীর চুম্বন। রিয়ার শরীর গরম হয়ে উঠলো, সে ছেলের বুকে হাত রেখে টেনে নিলো। সমীর মায়ের ব্লাউজ খুলে ফেললো, তার বড় স্তন দুটো বেরিয়ে এলো। সে আদর করে চুষতে লাগলো, রিয়া আহ করে উঠলেন। "আহ বাবু, ধীরে..." কিন্তু সমীর থামলো না। সে মায়ের শাড়ি পুরো খুলে ফেললো, রিয়া নগ্ন হয়ে গেলেন। তার শরীরটা এখনও আকর্ষণীয়, কোনো দাগ নেই।
সমীর নিজের টাওয়েল খুলে ফেললো, তার শক্ত লিঙ্গটা দেখা গেল। রিয়া চোখ বড় করে দেখলেন, তারপর হাত দিয়ে ধরলেন। "এত বড় হয়ে গেছে তুমি," বলে রিয়া আদর করতে লাগলেন। সমীর মায়ের উপর উঠে গেলো, আস্তে আস্তে প্রবেশ করলো। রিয়া চিৎকার করে উঠলেন, "আহ... বাবু!" সমীর ধীরে ধীরে গতি বাড়ালো, রুম ভরে গেল তাদের শ্বাসের শব্দে। রিয়ার শরীর কাঁপছে, সে ছেলেকে জড়িয়ে ধরলো। "আরো জোরে বাবু, মাকে ভালো করে নাও।"
রাত ভোর হয়ে গেল, কিন্তু তাদের মিলন থামেনি। হোটেলের বিছানায় মা-ছেলের এই গোপন রাতটা চিরকালের মতো মনে থাকবে। তারা একে অপরকে নতুন করে আবিষ্কার করলো, একটা নিষিদ্ধ ভালোবাসায়।
হোটেলের রাত্রি: মা-ছেলের গোপন মিলন (পরের অংশ)
সকালের আলো জানালা দিয়ে ঢুকছে, কিন্তু সমীর আর রিয়া এখনও বিছানায় জড়িয়ে আছেন। রাতের উন্মাদনা শেষ হয়েছে, কিন্তু তাদের শরীরে এখনও সেই উত্তাপ লেগে আছে। রিয়া ছেলের বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছেন, তার নগ্ন শরীরটা সমীরের শরীরে লেপটে গেছে। সমীর আস্তে করে মায়ের চুলে হাত বোলাচ্ছে, তার চোখে একটা অদ্ভুত শান্তি। "মা, এটা স্বপ্ন নয় তো?" ফিসফিস করে বললো সমীর।
রিয়া চোখ খুলে হাসলেন, তার ঠোঁটটা এখনও ফোলা চুমুর দাগে। "না বাবু, এটা সত্যি। কিন্তু আমরা কী করলাম? এটা তো নিষিদ্ধ..." বলে রিয়া লজ্জায় মুখ লুকালেন। কিন্তু সমীর মায়ের চিবুক ধরে উঁচু করলো, "মা, ভালোবাসায় কোনো নিষেধ নেই। তুমি আমার সবকিছু।" বলে সে আবার মায়ের ঠোঁটে চুমু খেলো, এবার নরম আর গভীর। রিয়ার শরীর আবার জাগ্রত হয়ে উঠলো, সে ছেলের গলা জড়িয়ে ধরলো।
সমীরের হাত নেমে গেল মায়ের স্তনের দিকে, আস্তে করে টিপতে লাগলো। রিয়া শিউরে উঠলেন, "বাবু, সকাল হয়ে গেছে... হোটেলের লোকজন..." কিন্তু তার কথা শেষ হলো না, সমীর মায়ের উপর উঠে গেলো। "কেউ জানবে না মা, এটা শুধু আমাদের।" বলে সে মায়ের ঘাড়ে চুমু খেতে লাগলো, নেমে গেল পেটে, তারপর আরও নিচে। রিয়া পা ফাঁক করে ফেললেন, তার শরীর কাঁপছে উত্তেজনায়। সমীরের জিভ মায়ের গোপন জায়গায় স্পর্শ করতেই রিয়া আহ করে উঠলেন, "আহ... বাবু, এটা কী করছিস?"
সমীর থামলো না, সে আদর করে চুষতে লাগলো, রিয়ার শরীরটা তোলপাড় হয়ে উঠলো। সে ছেলের মাথা চেপে ধরলো, "আরো... আরো জোরে বাবু!" কয়েক মিনিট পর রিয়া চরম সুখে কেঁপে উঠলেন, তার শরীরটা ঢিলে হয়ে গেল। সমীর উঠে এসে মায়ের পাশে শুয়ে পড়লো, রিয়া ছেলের দিকে তাকিয়ে হাসলেন। "তুমি আমাকে পাগল করে দিয়েছ বাবু।" বলে সে সমীরের লিঙ্গটা হাতে নিলো, এখনও শক্ত হয়ে আছে। রিয়া উঠে বসলেন, ছেলের উপর ঝুঁকে পড়লেন।
এবার রিয়ার পালা। সে ছেলের লিঙ্গটা মুখে নিলো, আস্তে আস্তে চুষতে লাগলো। সমীর চোখ বন্ধ করে আহ করে উঠলো, "মা... এটা অসাধারণ!" রিয়া গতি বাড়ালেন, তার মুখের উষ্ণতায় সমীরের শরীর কাঁপছে। কয়েক মিনিট পর সমীর চরমে পৌঁছালো, রিয়া সবটা গিলে নিলেন। তারা দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে পড়লেন, একে অপরকে জড়িয়ে।
দুপুর হয়ে গেছে, হোটেলের রুম সার্ভিসের নক দিলো। রিয়া তাড়াতাড়ি উঠে শাড়ি পরলেন, সমীরও পোশাক পরে নিলো। দরজা খুলে খাবার নিয়ে এলেন। টেবিলে বসে খেতে খেতে তারা চোখাচোখি করলেন, একটা গোপন হাসি। "মা, এটা শুধু শুরু। আমরা আরও অনেক রাত একসাথে কাটাবো," বললো সমীর। রিয়া লজ্জায় মাথা নিচু করলেন, কিন্তু তার চোখে সম্মতি। এই নিষিদ্ধ সম্পর্কটা এখন তাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে, হোটেলের এই রাত থেকে শুরু হয়ে চলবে অনন্তকাল।
হোটেলের রাত্রি: মা-ছেলের গোপন মিলন (শেষ অংশ)
সন্ধ্যা হয়েছে, হোটেলের রুমটা এখনও তাদের ভালোবাসার সাক্ষী। সমীর আর রিয়া দুপুরের খাবার শেষ করে আবার বিছানায় ফিরে এসেছেন। এবার তাদের মধ্যে কোনো লজ্জা নেই, শুধু অসীম আকর্ষণ। রিয়া ছেলের সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ি খুলতে লাগলেন, আস্তে আস্তে। তার ফর্সা শরীরটা আলোয় চকচক করছে। সমীর বসে দেখছে, তার চোখে লোভ। "মা, তুমি দেবী," বলে সমীর উঠে এসে মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরলো।
রিয়া ছেলের শার্ট খুলে ফেললেন, তার শক্ত বুকটা আদর করতে লাগলেন। সমীর মায়ের পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে নিচে নামলো, তার নিতম্বটা চেপে ধরলো। রিয়া শিউরে উঠলেন, "বাবু, তুমি আমাকে নিয়ন্ত্রণ করো না কেন?" সমীর হাসলো, "কারণ তুমি আমার, মা।" বলে সে মায়েকে বিছানায় শুইয়ে দিলো। এবার সমীর মায়ের পায়ের কাছে বসলো, আস্তে করে পা দুটো ফাঁক করলো। তার জিভ আবার মায়ের গোপন জায়গায় স্পর্শ করলো, কিন্তু এবার আরও গভীরে। রিয়া চোখ বন্ধ করে কাঁপতে লাগলেন, তার হাত বিছানার চাদর চেপে ধরেছে। "আহ... বাবু, থামো না!"
সমীর উঠে এসে মায়ের উপর শুয়ে পড়লো, তার শক্ত লিঙ্গটা আবার প্রবেশ করলো। এবার গতি দ্রুত, জোরালো। রুম ভরে গেল তাদের শ্বাসের শব্দে, রিয়ার আহ্বানে। "জোরে... আরও জোরে বাবু! মাকে তোমার করে নাও!" সমীরের শরীর ঘামে ভিজে গেছে, সে মায়ের স্তন চুষতে চুষতে গতি বাড়ালো। রিয়া চরম সুখে চিৎকার করে উঠলেন, তার নখ সমীরের পিঠে বসিয়ে দিলেন। সমীরও শীঘ্রই চরমে পৌঁছালো, তারা দুজনে একসাথে ঢিলে হয়ে পড়লেন।
রাত হয়েছে, চেকআউটের সময় হয়ে এসেছে। তারা পোশাক পরে ব্যাগ গোছাতে লাগলেন। রিয়া ছেলের দিকে তাকিয়ে বললেন, "বাবু, বাড়ি ফিরে কী হবে? এটা তো গোপন রাখতে হবে।" সমীর মায়েকে জড়িয়ে ধরলো, "মা, এটা আমাদের গোপন থাকবে, কিন্তু আমাদের ভালোবাসা চলবে। প্রতি রাতে তুমি আমার হবে।" রিয়া চোখে জল নিয়ে হাসলেন, "হ্যাঁ বাবু, আমি তোমার।"
হোটেল থেকে বেরিয়ে তারা বাড়ির দিকে রওনা দিলেন। এই ভ্রমণটা তাদের জীবন বদলে দিয়েছে, একটা নিষিদ্ধ সম্পর্কে নতুন জীবন দিয়েছে। মা-ছেলের এই গোপন মিলন চলবে চিরকাল, কেউ জানবে না, শুধু তারা দুজন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন