সুন্দরী ফুফুর সাথে.... 😱✅

 একটি গরম গ্রীষ্মের দুপুরে, আমার সুন্দরী ফুফু রিতা আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন। ফুফু ছিলেন অসাধারণ সুন্দরী – লম্বা চুল, গোলাপী ঠোঁট, আর সেই কামনীয় শরীর যা যেকোনো পুরুষের মনকে উত্তেজিত করে দিত। আমি তখন কলেজের ছাত্র, বাড়িতে একা। ফুফু বললেন, "ভাইপো, একটু ম্যাসাজ করে দাও না, শরীরটা ব্যথা করছে।"


আমি রাজি হলাম। ফুফু বিছানায় শুয়ে পড়লেন, তাঁর পাতলা শাড়িটা একটু সরে গেল। আমার হাত তাঁর পিঠে ঘুরতে লাগল, ধীরে ধীরে নিচে নামতে লাগল। ফুফু হালকা করে উম্ম করে উঠলেন, "আহ, আরেকটু নিচে..." আমার হাত তাঁর কোমরে পৌঁছে গেল, আর তাঁর শরীরের উত্তাপ আমাকে পাগল করে দিল।


হঠাৎ ফুফু ঘুরে আমার দিকে তাকালেন, তাঁর চোখে একটা দুষ্টু হাসি। "তুই কি আমাকে চাইস?" বলে তিনি আমার হাতটা টেনে নিলেন তাঁর বুকে। আমি আর সামলাতে পারলাম না। আমার ঠোঁট তাঁর ঠোঁটে লেগে গেল, গভীর চুম্বন। ফুফুর হাত আমার প্যান্টের দিকে এগিয়ে গেল, আর আমি তাঁর শাড়ি খুলে ফেললাম। তাঁর নগ্ন শরীর দেখে আমার শরীর জ্বলে উঠল।


আমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরলাম। ফুফুর নরম স্তন আমার বুকে চেপে গেল, আর আমার হাত তাঁর নিতম্বে। ধীরে ধীরে আমি তাঁর ভিতরে প্রবেশ করলাম, ফুফু চিৎকার করে উঠলেন আনন্দে। "আরও জোরে, ভাইপো!" আমরা ঘামে ভিজে গেলাম, শরীরের লয়ে এক হয়ে গেলাম। সেই দুপুরটা আমাদের জীবনের সবচেয়ে উত্তেজক মুহূর্ত হয়ে উঠল।


পরে ফুফু বললেন, "এটা আমাদের গোপনীয়তা থাকবে।" কিন্তু আমি জানি, এমন সুযোগ আরও আসবে।


কয়েকদিন পর, ফুফু আবার আমাদের বাড়িতে এলেন। এবার রাতের বেলা, সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি আমার রুমে বসে বই পড়ছিলাম, হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল। খুলে দেখি ফুফু, একটা পাতলা নাইটি পরে দাঁড়িয়ে। তাঁর চোখে সেই দুষ্টু চাহনি। "ভাইপো, একা লাগছে? চল, একটু গল্প করি।"


আমি তাঁকে ভিতরে টেনে নিলাম। ফুফু বিছানায় বসে পড়লেন, তাঁর নাইটিটা একটু উপরে উঠে গেল, সেই মসৃণ পা দেখে আমার মন উত্তাল হয়ে উঠল। "আমি তোকে ভুলতে পারিনি," বলে তিনি আমার কাঁধে হাত রাখলেন। আমার হাত তাঁর কোমরে চলে গেল, ধীরে ধীরে উপরে উঠতে লাগল। ফুফুর শ্বাস ভারী হয়ে উঠল, "আহ, তুই এত দুষ্টু কেন?"


আমি তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম, ঠোঁটে ঠোঁট মিশিয়ে দিলাম। ফুফুর হাত আমার শার্টের বোতাম খুলতে লাগল, আর আমি তাঁর নাইটি খুলে ফেললাম। তাঁর নগ্ন শরীর আবার আমার সামনে, সেই নরম স্তন, সেই কামনীয় কোমর। আমি তাঁর স্তনে মুখ দিলাম, চুষতে লাগলাম। ফুফু উম্ম করে উঠলেন, "আরও... জোরে..."


আমরা বিছানায় গড়িয়ে পড়লাম। আমার হাত তাঁর নিচের অংশে পৌঁছে গেল, তিনি কাঁপতে লাগলেন আনন্দে। "ভাইপো, আমাকে নাও..." বলে তিনি আমাকে টেনে নিলেন। আমি তাঁর ভিতরে প্রবেশ করলাম, ধীরে ধীরে গতি বাড়াতে লাগলাম। ফুফুর নখ আমার পিঠে বসে গেল, "আহ, এত ভালো লাগছে!" আমরা একসাথে চরমে পৌঁছালাম, ঘামে ভিজে, শরীর জড়িয়ে।


সকাল হওয়ার আগে ফুফু চলে গেলেন, কিন্তু তাঁর চোখে প্রতিশ্রুতি – এটা শুধু শুরু। আমি জানি, আমাদের এই গোপন সম্পর্ক আরও গভীর হবে।


কয়েক সপ্তাহ পর, আমাদের পরিবারের একটা অনুষ্ঠানে ফুফু এলেন। সবাই মিলে হাসি-ঠাট্টা চলছে, কিন্তু আমাদের চোখে চোখে একটা গোপন বার্তা। রাত হলে সবাই ঘুমিয়ে পড়ল, আর ফুফু আমার রুমে চলে এলেন। এবার তিনি একটা সেক্সি লাল শাড়ি পরে, যা তাঁর শরীরের প্রতিটা বাঁককে উজ্জ্বল করে তুলেছে। "ভাইপো, আজ আমরা শেষ করে দেব এই খেলা," বলে তিনি দরজা বন্ধ করলেন।


আমি তাঁকে কাছে টেনে নিলাম। ফুফুর ঠোঁট আমার ঠোঁটে মিশে গেল, গভীর, উত্তপ্ত চুম্বন। তাঁর হাত আমার শরীরে ঘুরতে লাগল, আর আমি তাঁর শাড়ি খুলে ফেললাম। তাঁর নগ্নতা দেখে আমার রক্ত গরম হয়ে উঠল। ফুফু আমাকে বিছানায় ঠেলে দিলেন, উপরে উঠে এলেন। "আজ আমি নিয়ন্ত্রণ করব," বলে তিনি আমার উপর বসে পড়লেন। তাঁর কোমর নাচতে লাগল, আমি তাঁর স্তনে হাত দিলাম, চেপে ধরলাম। ফুফু চিৎকার করে উঠলেন, "আহ, তুই আমার সবকিছু!"


আমরা একে অপরের সাথে মিশে গেলাম, গতি বাড়তে লাগল। ফুফুর শরীর কাঁপতে লাগল, আমারও। "আরও জোরে... চরমে নিয়ে যা আমাকে!" বলে তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। আমরা একসাথে চরম আনন্দে পৌঁছালাম, শরীর ঘামে ভিজে, নিঃশ্বাস ভারী। পরে ফুফু আমার বুকে মাথা রেখে বললেন, "এটা আমাদের শেষ নয়, কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে। তুই আমার প্রিয় ভাইপো, আর আমি তোর ফুফু – কিন্তু এই ভালোবাসা অন্যরকম।"


সকালে ফুফু চলে গেলেন, কিন্তু আমাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য বন্ধন তৈরি হয়েছে। জীবন চলবে, কিন্তু এই গোপন মুহূর্তগুলো আমাদের স্মৃতিতে চিরকাল থাকবে। শেষ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কlকি অlমlদের বlড়ি/তে....

কারেন্ট না থাকায় সুজোগ নিলো....

বlসে জlইতে লে/গে হটlৎ....