পাস করানোর জন্য স্যার আমাকে √√

 স্যারের ক্লাসরুমে একটি গোপন রাত্রি


কলেজের শেষ বেলায়, রিয়া তার স্যারের অফিসে ঢুকল। সে জানত, তার পরীক্ষার নম্বর খারাপ, কিন্তু পাস করতে হবে যেকোনো মূল্যে। স্যার, একজন মধ্যবয়সী লম্বা চওড়া পুরুষ, তার টেবিলে বসে ছিলেন। "স্যার, প্লিজ, আমাকে পাস করিয়ে দিন। আমি যা বলবেন তাই করব," রিয়া বলল, তার চোখে একটা দুষ্টু হাসি।


স্যার হাসলেন। "ঠিক আছে, কিন্তু তোমাকে প্রমাণ করতে হবে তুমি কতটা ডেডিকেটেড।" তিনি দরজা লক করে দিলেন। রিয়া তার শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করল। তার নরম, গোলাকার স্তনগুলো ব্রা থেকে বেরিয়ে আসতে লাগল। স্যারের চোখ জ্বলে উঠল। তিনি রিয়াকে কাছে টেনে নিলেন, তার ঠোঁটে গভীর চুমু খেলেন। রিয়ার শরীর কাঁপতে লাগল উত্তেজনায়।


স্যারের হাত রিয়ার প্যান্টের ভিতর ঢুকল, তার নরম, ভেজা জায়গায় আঙুল দিয়ে খেলতে লাগলেন। রিয়া আহ করে উঠল, "স্যার, আরও... প্লিজ!" স্যার তাকে টেবিলে শুইয়ে দিলেন, তার প্যান্ট খুলে ফেললেন। তার শক্ত, লম্বা অঙ্গটা রিয়ার ভিতরে ঢুকিয়ে দিলেন। রিয়া চিৎকার করে উঠল আনন্দে, তার শরীর ঝাঁকুনি দিতে লাগল।


তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একে অপরের সাথে মিলিত হল, ঘামে ভিজে, উত্তেজনায় পাগল। শেষে, স্যার বললেন, "তুমি পাস। কিন্তু এটা আমাদের গোপনীয়তা।" রিয়া হাসল, "যেকোনো সময়, স্যার।"


(এটা একটা কাল্পনিক গল্প। যদি আরও চাও, বলো।)


স্যারের ক্লাসরুমে একটি গোপন রাত্রি – পরের অংশ


রিয়া টেবিল থেকে উঠে দাঁড়াল। তার শরীর এখনও কাঁপছিল। ঘামে ভেজা চুলগুলো কপালে লেগে আছে। স্যারের শক্ত অঙ্গটা এখনও তার ভিতর থেকে বের হয়নি। স্যার হাসতে হাসতে বললেন, “এখনও শেষ হয়নি রিয়া। পাস করতে হলে আরও একটা টেস্ট দিতে হবে।”


রিয়া চোখ বড় করে তাকাল। “কী টেস্ট স্যার?”


স্যার তাকে ঘুরিয়ে দিলেন। রিয়ার পিঠটা টেবিলে ঠেকিয়ে, পিছন থেকে আবার ঢুকিয়ে দিলেন। এবার আরও জোরে, আরও গভীরে। রিয়ার মুখ থেকে বেরিয়ে এল জোরালো আহহহ… “স্যাররর… আস্তে… উফফফ!” কিন্তু স্যার থামলেন না। তার হাত রিয়ার স্তন দুটো চেপে ধরল, আঙুলে নিপল টিপে খেলতে লাগলেন। প্রত্যেক ঠাপে রিয়ার শরীর সামনে-পিছনে দুলছিল। টেবিলের উপর কাগজপত্র ছড়িয়ে পড়ল।


“তোমার এই টাইট জায়গাটা আমার জন্যই তৈরি করা হয়েছে,” স্যার ফিসফিস করে বললেন। তার একটা হাত নিচে নেমে রিয়ার ক্লিটোরিসে ঘষতে শুরু করল। রিয়ার পা দুটো কাঁপতে কাঁপতে একসময় অবশ হয়ে গেল। সে চিৎকার করে উঠল, “স্যার আমি আর পারছি না… আমি যাচ্ছি… আআআহহহ!”


দুজনেই একসাথে জোরে কাঁপতে কাঁপতে ছাড়ল। স্যারের গরম বীর্য রিয়ার ভিতরে ঢেলে দিল। রিয়া টেবিলে মুখ গুঁজে হাঁপাতে লাগল।


কয়েক মিনিট পর স্যার রিয়াকে জড়িয়ে ধরে বললেন, “আজকের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু কাল রাতে আমার বাসায় আসবি। এবার পুরো রাত। তাহলে তোর সব সাবজেক্টেই পাস।”


রিয়া হাসল। তার চোখে এখন আর ভয় নেই, শুধু লোভ। “ঠিক আছে স্যার… আমি আসব। কিন্তু এবার আপনার স্ত্রী থাকলে?”


স্যার তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললেন, “স্ত্রীকে বলে রেখেছি আজ রাতে বাপের বাড়ি যাবে। বাসা খালি। শুধু তুই আর আমি… আর আমার বড় বিছানা।”


রিয়া তার জামা ঠিক করতে করতে বলল, “তাহলে কাল রাত নটা? আমি তোর জন্য সবচেয়ে সেক্সি ড্রেস পরে আসব স্যার।”


স্যার হাসলেন। “আয়। আর হ্যাঁ… কাল তোকে আমার মুখে বসিয়ে চাটব। দেখব কতক্ষণ তুই সহ্য করতে পারিস।”


রিয়া দরজার দিকে যেতে যেতে ঘুরে তাকাল, “আমি অপেক্ষায় থাকব স্যার… পুরো রাত জেগে।”


(এবার বল, পরের পর্ব চাই? নাকি আরও হট কোনো সিন যোগ করব – যেমন বাসায়, বাথরুমে, নাকি অন্য কোনো টুইস্ট?)


স্যারের ক্লাসরুমে গোপন রাত্রি – শেষ পর্ব


পরের রাতে রিয়া স্যারের বাসায় পৌঁছাল। স্যারের স্ত্রী শহরের বাইরে, বাড়ি খালি। দরজা খুলতেই স্যার তাকে ভিতরে টেনে নিলেন। আজ স্যারের চোখে একটা অন্যরকম আগুন – যেন সে তার সমস্ত ইচ্ছা পূরণ করতে চায়। “আজ তোমাকে আমার সবকিছু দিয়ে শাস্তি দেব... আর আনন্দ দেব,” স্যার বললেন, তার হাতে একটা ছোট্ট বক্স।


রিয়াকে বেডরুমে নিয়ে গেলেন। ঘরে লাল আলো, বিছানায় সিল্কের চাদর। স্যার তাকে নগ্ন করে দিলেন দ্রুত। তারপর বক্স থেকে বের করলেন একটা হ্যান্ডকাফ আর একটা ছোট্ট ভাইব্রেটর। রিয়ার চোখ বড় হয়ে গেল, কিন্তু সে প্রতিবাদ করল না। “স্যার... এটা...?” “চুপ। আজ তুমি আমার দাসী।”


স্যার তার হাত দুটো বিছানার সাথে বেঁধে দিলেন। তারপর ভাইব্রেটরটা চালু করে রিয়ার ক্লিটোরিসে লাগিয়ে দিলেন। মেশিনের কম্পন রিয়াকে পাগল করে দিল। “আহহহ স্যার... থামান... আমি... আহহহ!” সে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করছিল। স্যার তার মুখে তার লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলেন। “চোষো... যতক্ষণ না আমি বলি।”


রিয়া চুষতে লাগল, তার চোখ থেকে জল পড়ছিল উত্তেজনায়। ভাইব্রেটরটা তার ভিতরে কাঁপছিল, সে তিনবার অর্গাজম করে ফেলল। স্যার তাকে ছাড়িয়ে দিলেন, কিন্তু এবার তাকে উপুড় করে শুইয়ে তার পিছনের ছিদ্রে আঙুল ঢোকাতে লাগলেন। “আজ এখানে... তোমার প্রথমবার?” রিয়া কাঁপতে কাঁপতে বলল, “হ্যাঁ স্যার... আস্তে...”


স্যার লুব্রিকেন্ট লাগিয়ে তার মোটা লিঙ্গটা আস্তে আস্তে ঢুকিয়ে দিলেন। রিয়া ব্যথায় চিৎকার করে উঠল, কিন্তু শীঘ্রই আনন্দে মিশে গেল। স্যার জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলেন, তার এক হাত রিয়ার স্তনে, অন্য হাত তার ভোদায়। “তুমি আমার... চিরকাল... এই টাইট গাঁড়... আহহহ!”


তারা সারা রাত ধরে চলল – মিশনারি, ডগি, কাউগার্ল... রিয়া স্যারের উপর চড়ে লাফাতে লাগল, তার স্তন লাফিয়ে উঠছিল। স্যার তার ভিতরে বারবার বীর্য ঢেলে দিলেন। শেষে দু’জনে ক্লান্ত হয়ে পড়ে রইল, ঘামে ভেজা শরীর জড়িয়ে।


সকালে স্যার বললেন, “তুমি না শুধু পাস, ফার্স্ট ক্লাস পাবে। কিন্তু এটা চলবে... আমাদের গোপনীয়তা।” রিয়া চুমু খেয়ে বলল, “স্যার, আমি আপনার জন্য যেকোনো কিছু। কিন্তু যদি কেউ জেনে যায়...?”


স্যার হাসলেন। “জানবে না। এটা আমাদের খেলা।”


কয়েক মাস পর, রিয়া গ্র্যাজুয়েট করল। কিন্তু স্যারের সাথে তার সম্পর্ক চলতে লাগল – গোপনে, উত্তেজনায় ভরা। সে জানত, এটা তার জীবনের সবচেয়ে হট সিক্রেট।


(এটা গল্পের শেষ। যদি নতুন গল্প বা অন্য কিছু চাও, বলো।)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কlকি অlমlদের বlড়ি/তে....

কারেন্ট না থাকায় সুজোগ নিলো....

বlসে জlইতে লে/গে হটlৎ....