শশুর- দেবর একসlথে ✅✅

 ### শশুর আর দেবরের সাথে এক রাতের আগুন


রিয়া বিয়ের পর থেকেই তার শ্বশুরবাড়িতে থাকতে শুরু করেছে। তার স্বামী রাহুল চাকরির সুবাদে প্রায়ই বাইরে থাকে, তাই বাড়িতে শুধু শশুরবাবু আর দেবর রাকিব। শশুরবাবু, বয়স পঞ্চাশের কোঠায়, কিন্তু শরীর এখনও শক্তপোক্ত, চোখে একটা দুষ্টু চাহনি। আর দেবর রাকিব, রাহুলের ছোট ভাই, বাইশ বছরের যুবক, জিম করে রাখা শরীর, সবসময় হাসি মুখে। রিয়া, ২৫ বছরের সুন্দরী, লম্বা চুল, গোলাপী ঠোঁট, আর কামুক শরীর – সে জানত না যে এই বাড়িতে তার জীবন এমন মোড় নেবে।


এক রাতে ঝড়বৃষ্টি। বিদ্যুৎ চলে গেছে, বাড়ি অন্ধকার। রাহুল শহরের বাইরে, ফোনও আসছে না। রিয়া তার ঘরে একা শুয়ে আছে, পরনে পাতলা নাইটি, গরমে ঘামে ভিজে গেছে। হঠাৎ দরজায় টোকা – শশুরবাবু। "বৌমা, ভয় পাচ্ছো? আমি মোমবাতি নিয়ে এসেছি।" রিয়া দরজা খুলে দিল। শশুরবাবু ভিতরে ঢুকে মোমবাতি জ্বালালেন, চোখ পড়ল রিয়ার ভেজা নাইটির উপর দিয়ে দেখা যাওয়া শরীরে। "বৌমা, তুমি তো আজকের রাতে আগুনের মতো লাগছো," বলে তিনি কাছে এলেন। রিয়া লজ্জায় মুখ নামাল, কিন্তু ভিতরে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা জাগল।


শশুরবাবু হাত রাখলেন রিয়ার কাঁধে, আস্তে আস্তে নামিয়ে দিলেন নাইটির স্ট্র্যাপ। রিয়া প্রতিবাদ করল না, বরং চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল। তিনি রিয়ার ঠোঁটে চুমু খেলেন, জিভ দিয়ে খেলা শুরু করলেন। রিয়ার শরীর কাঁপছে, কিন্তু সে উত্তেজিত। হঠাৎ দরজা খুলে ঢুকল রাকিব। "ভাবী, তুমি ঠিক আছো?" বলে সে অন্ধকারে দেখল দৃশ্যটা। শশুরবাবু হাসলেন, "আয় বাবা, তোর ভাবীকে একা রাখবি না।" রাকিব অবাক, কিন্তু তার চোখে লোভ। সে কাছে এসে রিয়ার পিঠে হাত রাখল, "ভাবী, আমি সবসময় তোমাকে চাইতাম।"


রিয়া এখন দুজনের মাঝে। শশুরবাবু সামনে থেকে তার স্তন চেপে ধরলেন, চুষতে শুরু করলেন। রাকিব পিছন থেকে নাইটি তুলে তার নিতম্বে হাত বোলাতে লাগল, আঙ্গুল দিয়ে অন্বেষণ করতে শুরু করল। রিয়া হাঁপাতে লাগল, "আহ... না... এটা ঠিক না..." কিন্তু তার শরীর বলছে অন্য কথা। শশুরবাবু তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলেন, পা ফাঁক করে তার গোপন জায়গায় মুখ রাখলেন, জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলেন। রাকিব তার মুখে তার পুরুষাঙ্গ ঢোকাল, রিয়া চুষতে লাগল।


ঝড়ের শব্দে ঢেকে গেল তাদের হাঁপানির আওয়াজ। শশুরবাবু এবার তার শক্ত অঙ্গ দিয়ে রিয়াকে প্রবেশ করলেন, ধাক্কা দিতে লাগলেন। রাকিব পিছন থেকে যোগ দিল, দুজনে মিলে রিয়াকে ভরিয়ে দিল। রিয়া চিৎকার করছে উত্তেজনায়, "আরো... আরো জোরে..." তাদের তিনজনের শরীর ঘামে ভিজে একাকার। শশুরবাবু আর রাকিব বারবার অদলবদল করল, রিয়াকে সব দিক থেকে আনন্দ দিল। অবশেষে তিনজনে একসাথে চরমে পৌঁছাল, ঝড়ের মতো বিস্ফোরণ।


সকালে সবকিছু স্বাভাবিক, কিন্তু রিয়ার চোখে নতুন দুষ্টুমি। সে জানে, এই রাতের গল্প আরও চলবে।


### শশুর আর দেবরের সাথে দ্বিতীয় রাতের খেলা


সকালের পর থেকে রিয়ার মনে শুধু সেই রাতের স্মৃতি ঘুরছে। শশুরবাবু রান্নাঘরে চা বানাতে গিয়ে তার সাথে চোখাচোখি হল, হাসলেন দুষ্টুমিতে – "বৌমা, আজ রাতে আরও মজা হবে।" রাকিব কলেজ থেকে ফিরে এসে রিয়াকে দেখে বলল, "ভাবী, তোমার চোখে আজ অন্য আলো।" রিয়া লজ্জা পেল, কিন্তু ভিতরে উত্তেজনা জাগল। রাহুলের ফোন এল, সে বলল আরও কয়েকদিন বাইরে থাকবে। রিয়া ভাবল, এটা তো সুযোগ!


সন্ধ্যা হল। বাড়িতে শুধু তিনজন। রিয়া ইচ্ছে করে একটা টাইট শাড়ি পরল, যাতে তার কামুক শরীর আরও ফুটে উঠে। খাবার টেবিলে শশুরবাবু তার পাশে বসলেন, হাত রাখলেন তার উরুতে, আস্তে আস্তে উপরে তুলতে লাগলেন। রাকিব দেখছে, তার চোখে লোভ। "বাবা, আজ আমরা একসাথে খেলব," বলে রাকিব উঠে এল। রিয়া বলল, "না না, খাবারের সময়..." কিন্তু শশুরবাবু তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলেন, স্তন চেপে ধরলেন। "বৌমা, তোমার এগুলো তো মধুর মতো মিষ্টি।"


খাবার ফেলে তারা রিয়াকে নিয়ে গেল শশুরবাবুর ঘরে। বিছানায় শুইয়ে দিল। শশুরবাবু তার শাড়ি খুলে ফেললেন, রিয়া এখন সম্পূর্ণ নগ্ন। রাকিব তার পা ফাঁক করে বসল, জিভ দিয়ে তার গোপন জায়গা চাটতে শুরু করল। "আহ... রাকিব... আরও গভীরে..." রিয়া হাঁপাতে লাগল। শশুরবাবু তার মুখে তার অঙ্গ ঢোকালেন, "চোষো বৌমা, ভালো করে চোষো।" রিয়া চুষছে, তার হাত শশুরবাবুর বলে খেলছে।


এবার অদলবদল। শশুরবাবু পিছন থেকে রিয়াকে ধরলেন, তার নিতম্বে প্রবেশ করলেন – "আহ, কী টাইট!" রাকিব সামনে থেকে যোগ দিল, দুজনে মিলে রিয়াকে দোলাতে লাগল। রিয়ার শরীর কাঁপছে, সে চিৎকার করছে, "জোরে... আরও জোরে... তোমরা দুজনে আমাকে ভরিয়ে দাও!" ঘামে ভিজে গেছে সবাই, শরীরের ঘর্ষণে আওয়াজ হচ্ছে। শশুরবাবু তার স্তন কামড়ে দিলেন, রাকিব তার ঠোঁট চুষছে।


কিছুক্ষণ পর তারা পজিশন চেঞ্জ করল। রিয়া উপরে উঠল রাকিবের উপর, তার অঙ্গে বসে লাফাতে লাগল। শশুরবাবু পিছন থেকে যোগ দিল, দুজনের অঙ্গ একসাথে রিয়ার ভিতরে। "আহ... এটা অসম্ভব... কিন্তু এত মজা!" রিয়া পাগলের মতো চলছে। অবশেষে তিনজনে একসাথে চরমে পৌঁছাল, গরম তরল ছড়িয়ে পড়ল।


রাত শেষ হল, কিন্তু রিয়া জানে এই খেলা থামবে না। পরের দিন কী হবে? সে অপেক্ষা করছে।


### শশুর আর দেবরের সাথে এক রাতের আগুন: শেষ অংশ


পরের দিন সকালে রিয়া ঘুম থেকে উঠে দেখল, বাড়ি শান্ত। শশুরবাবু রান্নাঘরে চা বানাচ্ছেন, রাকিব বাইরে জগিং করে ফিরেছে। সবাই যেন কিছু ঘটেনি এমন ভাব করছে। কিন্তু রিয়ার মনে সেই রাতের স্মৃতি ঘুরছে – শশুরবাবুর শক্ত হাতের স্পর্শ, রাকিবের যুবক উত্তেজনা। সে লজ্জা পেল, কিন্তু সাথে একটা অদ্ভুত আনন্দও। রাহুল ফোন করল, "কেমন আছো প্রিয়?" রিয়া বলল, "ভালো, তোমার অভাব অনুভব করছি।" কিন্তু মনে মনে ভাবল, অভাব তো পূরণ হয়ে গেছে।


সন্ধ্যায় আবার ঝড়ের পূর্বাভাস। রিয়া ইচ্ছে করেই পাতলা শাড়ি পরল, ভিতরে কিছু না। শশুরবাবু ডিনারের টেবিলে বসে বললেন, "বৌমা, আজ রাতে আবার বিদ্যুৎ যাবে মনে হয়। ভয় পাবে না তো?" রিয়া হাসল, "না বাবা, আপনারা তো আছেন।" রাকিব চোখ টিপল, "ভাবী, আমরা সবসময় তোমার পাশে।"


রাত গভীর হল। বিদ্যুৎ গেল। এবার রিয়া নিজেই শশুরবাবুর ঘরে গেল, "বাবা, আমার ভয় করছে।" শশুরবাবু তাকে কাছে টেনে নিলেন, "আয় মা, তোর ভয় দূর করি।" রাকিবও চলে এল, দরজা বন্ধ করল। এবার তারা আর অপেক্ষা করল না। রিয়াকে বিছানায় ফেলে দুজনে মিলে তার শাড়ি খুলে ফেলল। শশুরবাবু তার স্তনে মুখ রাখলেন, চুষে চুষে লাল করে দিলেন। রাকিব নিচে হাঁটু গেড়ে বসে তার যোনিতে জিভ দিয়ে খেলা করতে লাগল, আঙ্গুল ঢোকাতে শুরু করল। রিয়া কাঁপছে, "আহ... বাবা... দেবরজি... আর পারছি না..."


শশুরবাবু উঠে তার অঙ্গ রিয়ার মুখে দিলেন, "চোষ মা, তোর বাবাকে খুশি কর।" রাকিব পিছন থেকে প্রবেশ করল, জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। রিয়ার চোখে জল, কিন্তু উত্তেজনার জল। তারা অদলবদল করল – এবার শশুরবাবু পিছনে, রাকিব সামনে। দুজনের অঙ্গ একসাথে রিয়াকে ভরিয়ে দিল, সে চিৎকার করছে, "জোরে... আরও জোরে... আমাকে ছিঁড়ে ফেলো!" ঝড়ের শব্দে সব ঢেকে গেল। অবশেষে তিনজনে একসাথে চরম সুখে পৌঁছাল, শরীর ঘামে আর তরলে ভিজে গেল।


সকালে রিয়া ভাবল, এটা শেষ নয়, এটা শুরু। রাহুল ফিরলে কী হবে? কিন্তু সে জানে, এই গোপন খেলা চলবে – শশুর, দেবর আর তার মাঝে। জীবন এখন আরও রঙিন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কlকি অlমlদের বlড়ি/তে....

কারেন্ট না থাকায় সুজোগ নিলো....

বlসে জlইতে লে/গে হটlৎ....